Veshoj Pulse

সহবাসের পর পুনরায় উত্তেজিত হতে সময় লাগে কেন? রিফ্র্যাক্টরি পিরিয়ডের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

সহবাসের পর পুনরায় উত্তেজিত হতে সময় লাগে কেন? রিফ্র্যাক্টরি পিরিয়ডের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

সহবাসের পর প্রায় সব পুরুষই একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত পুনরায় লিঙ্গে স্তব্ধতা বা উত্তেজনা অনুভব করে না। এই সময়টাকে বলা হয় রিফ্র্যাক্টরি পিরিয়ড। এটি কোনো রোগ নয়, বরং শরীরের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

রিফ্র্যাক্টরি পিরিয়ড কী?

রিফ্র্যাক্টরি পিরিয়ড হলো সহবাস ও বীর্যপাতের পর সেই সময়কাল যখন লিঙ্গ আবার উত্তেজিত হতে বা দ্বিতীয়বার সহবাস করতে সক্ষম হয় না। এই সময়ে শরীর ও মস্তিষ্ক থেকে নির্দিষ্ট হরমোন ও নিউরোট্রান্সমিটার নিঃসরণ হয় যা যৌন উত্তেজনা কমিয়ে দেয়।

কেন এই সময় লাগে?

বীর্যপাতের পর শরীরে প্রলাকটিন হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। এই হরমোন ডোপামিন (যৌন আনন্দের হরমোন) কমায়, ফলে মনে যৌন আকর্ষণ কমে যায়। এছাড়া সিম্প্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেম সক্রিয় হয়ে শরীরকে বিশ্রাম দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

রিফ্র্যাক্টরি পিরিয়ডের পরিমাণ

এই সময় ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হয়:

  • তরুণদের ক্ষেত্রে কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা
  • বয়স্কদের ক্ষেত্রে কয়েক ঘণ্টা থেকে এক দিন পর্যন্ত
  • গড়ে প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের এই সময় বেশি হয়

কোন বিষয়গুলো প্রভাব ফেলে?

  • বয়স: বয়স বাড়ার সাথে সাথে রিফ্র্যাক্টরি পিরিয়ড বাড়ে
  • স্ট্রেস ও মানসিক চাপ: মানসিক অবস্থা এই সময়কে প্রভাবিত করে
  • শারীরিক স্বাস্থ্য: ভালো স্বাস্থ্য থাকলে এই সময় কম থাকে
  • ঘুম ও পুষ্টি: পর্যাপ্ত ঘুম ও সুষম খাদ্য এই প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখে

সঠিক ধারণা প্রয়োজন

অনেকে মনে করেন এই সময়টা কম হলে তার যৌন স্বাস্থ্য খারাপ। কিন্তু বৈজ্ঞানিকভাবে এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। প্রতিটি পুরুষের শরীর ভিন্ন, তাই এই সময়ও ভিন্ন হয়।

সুস্থ জীবনযাপনের জন্য এই বিষয়টি বোঝা জরুরি। নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম এবং স্বাভাবিক খাদ্যাভ্যাস এই প্রক্রিয়াকে স্বাস্থ্যকর রাখে।

আরও পড়ুন: পুরুষের প্রাণশক্তি ধরে রাখার ৫টি অভ্যাস।

কোনো সমস্যায় গোপনে কথা বলতে চাইলে Free Consultation নিতে পারেন।

পণ্য দেখতে চাইলে Shop ঘুরে আসুন।

অর্ডার করতে চাইলে How to Order পেজটি দেখে নিন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top